বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন-উত্তর
আমাদের প্রতিষ্ঠান নিয়ে অথবা আমাদের কোর্স নিয়ে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে , নিচের প্রশ্ন ভন্ডার থেকে উত্তরটি দেখে নিতে পারেন – অন্যথায় আপনি সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন-
আমরা সব সময়ই আপনার জন্য অপেক্ষা করছি ।
কুরআন শিক্ষা সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর
আমি একদম শুরু থেকে কুরআন শিখতে চাই, এটা কি সম্ভব?
হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব। আমরা একদম বেসিক থেকে অক্ষর চিনানো দিয়ে শুরু করি। ধীরে ধীরে হরফ মিলানো, শব্দ পড়া এবং তাজবিদ শেখানো হয়। তাই বয়স বা পূর্ব অভিজ্ঞতা কোনো বাধা নয়।
বয়স বেশি হলে কি কুরআন শেখা কঠিন হয়?
না, বয়স কোনো বাধা নয়। অনেকে ৩০–৫০ বছর বয়সেও সফলভাবে কুরআন শিখছেন। আমাদের শিক্ষকরা ধৈর্যের সঙ্গে সহজভাবে বুঝিয়ে দেন। শুধু মনোযোগ আর নিয়মিত চর্চা দরকার।
অনলাইনে কুরআন শেখা কি কার্যকর?
জি হ্যাঁ, অনলাইনে শিখলেও শিক্ষক–শিক্ষার্থী সরাসরি ক্লাসে অংশ নিতে পারেন। স্ক্রিনে অক্ষর বা আয়াত দেখানো হয় এবং শিক্ষার্থী সঙ্গে সঙ্গে পড়তে পারে। রেকর্ডেড ভিডিও থাকায় পুনরাবৃত্তিও সহজ হয়।
আমি আগে কুরআন পড়েছি কিন্তু ভুলে গেছি, এখন কী করব?
আপনি পুনরায় বেসিক কোর্সে ভর্তি হতে পারেন। ভুলগুলো সংশোধন করে ধাপে ধাপে শুদ্ধ করা হয়। আবার নতুন করে শুরু করলে আত্মবিশ্বাসও ফিরে আসবে। ধৈর্য ধরাই মূল চাবিকাঠি।
তাজবিদ শেখা কি বাধ্যতামূলক?
তাজবিদ কুরআন তিলাওয়াতের সঠিক নিয়ম। কুরআন সঠিকভাবে পড়তে হলে তাজবিদ জানা জরুরি। আমাদের কোর্সে প্রতিটি অক্ষর ও মাখরাজ স্পষ্টভাবে শেখানো হয়। এতে পাঠ শুদ্ধ ও সুন্দর হয়।
মেয়েদের জন্য কি আলাদা ক্লাস আছে?
হ্যাঁ, মেয়েদের জন্য মহিলা শিক্ষিকাদের মাধ্যমে আলাদা ক্লাস পরিচালিত হয়। এতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং নির্দ্বিধায় প্রশ্ন করতে পারে। নিরাপদ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সব ক্লাস নেয়া হয়।
কত সময়ের মধ্যে কুরআন শিখে শেষ করা যাবে?
সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী কুরআন শেষ করতে পারে। তবে এটা নির্ভর করে শিক্ষার্থীর মনোযোগ ও অনুশীলনের ওপর। নিয়মিত ক্লাস করলে সময়মতো শেষ করা সম্ভব।
যদি আমি শিখতে না পারি তবে কী হবে?
আমরা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করি। অনেক প্রতিষ্ঠান টাকা ফেরতের গ্যারান্টিও দিয়ে থাকে। শিক্ষকেরা বারবার বুঝিয়ে দেন, তাই শেখা না হওয়ার সুযোগ নেই। মনোযোগ থাকলে ইনশাআল্লাহ শিখতেই পারবেন।
শিশুদের জন্য কুরআন শেখা কেমনভাবে হয়?
শিশুদের জন্য বিশেষ কোর্স থাকে। খেলাধুলা ও গল্পের মাধ্যমে শেখানো হয়। ছোট ছোট পাঠে ভেঙে দিলে তারা সহজে আয়ত্ত করতে পারে। অভিভাবকের তত্ত্বাবধানও গুরুত্বপূর্ণ।
হিফজ (মুখস্থ) করার সুযোগ কি আছে?
হ্যাঁ, আলাদা হিফজ কোর্স থাকে। শিক্ষক ধাপে ধাপে মুখস্থ করান। নিয়মিত পুনরাবৃত্তি করানো হয় যাতে ভুল না হয়। আগ্রহ থাকলে শিশুরা এবং প্রাপ্তবয়স্করাও অংশ নিতে পারেন।
তবে এই সেকশনের কার্যক্রম এখনো সম্পুর্ণভাবে আমাদের শুরু করা হয় নি।
কম্পিউটার কোর্স সম্পর্কিত প্রশ্ন-উত্তর
কোন কোন স্কিল শেখানো হয়?
আমরা কম্পিউটারের বিভিন্ন কোর্স অফার করি। যেমন—MS Word, Excel, PowerPoint, Graphic Design, Video Editing ইত্যাদি। এগুলো ফ্রিল্যান্সিং ও চাকরির জন্য খুবই দরকারি।
একজন নতুন কি শূন্য থেকে শিখতে পারবে?
অবশ্যই পারবে। কোর্সগুলো একদম বেসিক থেকে শুরু হয়। ধাপে ধাপে শিখানো হয় যাতে কোনো অসুবিধা না হয়। পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও শেখা সহজ।
স্কিল শেখার পর কি চাকরির সুযোগ আছে?
হ্যাঁ, বর্তমানে ডিজিটাল স্কিলের চাহিদা অনেক বেশি। চাকরিতে আবেদন করার সময় এসব স্কিল বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে গণ্য হয়। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করে আয়ও করা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে কত সময় লাগে?
সাধারণত ৩–৬ মাস শেখার পর ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যায়। নির্ভর করে কত দ্রুত আপনি অনুশীলন করছেন তার ওপর। একবার ভালোভাবে স্কিল আয়ত্ত হলে মার্কেটে কাজ পাওয়া সম্ভব।
আমি শুধু Excel শিখতে চাই, কি সম্ভব?
হ্যাঁ, আলাদা Excel কোর্স আছে। এখানে বেসিক থেকে অ্যাডভান্স সব শেখানো হয়। অফিসে কাজ করার জন্য Excel অপরিহার্য। বিশেষ করে ডেটা এন্ট্রি, রিপোর্ট তৈরি, বিশ্লেষণ ইত্যাদি।
কোর্স শেষে কি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে?
হ্যাঁ, প্রতিটি কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এই সার্টিফিকেট চাকরির জন্য ব্যবহার করা যায়। এতে আপনার দক্ষতার প্রমাণ পাওয়া যায়।
মোবাইল দিয়ে কি কোর্স করা যাবে?
কিছু কোর্স মোবাইল দিয়ে সম্ভব, তবে কম্পিউটার দিয়ে শেখা বেশি কার্যকর। বিশেষ করে ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা অফিস অ্যাপ্লিকেশন শিখতে কম্পিউটার দরকার।
যদি আমি বুঝতে না পারি তবে সাহায্য পাব কি?
অবশ্যই পাবেন। শিক্ষকরা বারবার বুঝিয়ে দেন এবং ব্যক্তিগত সহায়তাও দেন। এছাড়া সাপোর্ট গ্রুপে প্রশ্ন করলে দ্রুত উত্তর দেওয়া হয়।
কোর্সের ভিডিও কি বারবার দেখা যাবে?
হ্যাঁ, ভিডিওগুলো রেকর্ড আকারে দেওয়া হয়। তাই চাইলে বারবার দেখে শিখতে পারবেন। এতে কোনো অংশ বাদ পড়লেও পরে সহজে পূরণ করা যায়।
কোর্স ফি কি একবারে দিতে হবে?
বেশিরভাগ সময় একবারে দিতে হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে কিস্তিতে দেওয়ার সুবিধাও থাকে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ভর্তি হওয়ার আগে যোগাযোগ করতে হবে।